প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ৫:৩৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩, ২:২৬ এ.এম
কাজিপুরে সেচ পাম্প চুরি আতঙ্কে কৃষক,চোর শনাক্ত হলেও প্রতিকার মেলেনি গ্রাম আদালতে।

৪ই সেপ্টেম্বর(সোমবার) দুপুরে উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের আলহাজ্ব হাবিবুর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলাম সহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী কৃষক কাজিপুর থানায় হাজির হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে মনসুরনগর ইউনিয়নের হাফিজুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া, মৃত আব্দুল শেখের ছেলে আশরাফ আলী, মোঃ রইচ এর ছেলে শাহাদাত, নইমুদ্দিনের ছেলে হাফিজুর সহ আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত নামা করে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগ ও সরেজমিন ঘুরে জানা যায়,গত ২রা এপ্রিল অভিযোগ দায়েরকারী রফিকুল ইসলাম সহ আরও কয়েকজন কৃষকের সেচ পাম্প হারিয়ে যায়, সেচ পাম্প চুরির আতঙ্কে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কয়েকজন চোরকে শনাক্ত করে স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে হাজির করা হয়,গ্রাম্য আদালতে বিচারের দিন তারিখ ধার্য্য হলে সংঘবদ্ধ চোরচক্র হাজির না হয়ে টালবাহানা শুরু করে, কোন উপায়ন্তর না পেয়ে চুরি যাওয়া সেচ পাম্প উদ্ধারে অবশেষে কাজিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা।
ভোগান্তির শিকার ও স্হানীয় কৃষক আশরাফুল ইসলাম বলেন,"এই পর্যন্ত প্রায় ১০টি চুরি হওয়া মটর উদ্ধার হয়েছে।চোর শনাক্ত হয়েছে,মুরব্বিদের সামনে দোষ স্বীকার করেছে কিন্তু বিচার হচ্ছে না"।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনসুর নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক রাজমহর বলেন, "চোর চক্রের অভিভাবকরা আমার কাছে এসেছে দোষ স্বীকার করেছে। তাদের অভিভাবকরা বলছে চোর চক্রের সদস্যরা এলাকায় না থাকায় তাদের হাজির করতে দেরী হচ্ছে"।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল দত্ত জানান," আমি সাক্ষীর কাজে টাঙ্গাইল গিয়েছিলাম,থানায় অভিযোগ হয়েছে কিনা জানি না,অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে"।
এদিকে কোন প্রতিকার না পেয়ে চুরি আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে সাধারণ কৃষক,সারাদিন হাঁড়ভাঙা খাঁটুনি শেষে সেচ পাম্প চুরি আটকাতে পালাবদল করে রাতের পর রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে কৃষক।সাধারণ মানুষের চাওয়া অচিরেই মিলবে সমাধান। আবারও নিশ্চিতে ঘুমাতে পারবে কৃষক।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা
Copyright © 2026 দৈনিক যমুনা এক্সপ্রেস. All rights reserved.