
মো: আজাদ খান,চিতলমারীঃ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বইতে শুরু করেছে ভোটের হাওয়া। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি? নির্বাচনী এই ডামাডোলের মধ্যেই সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহ আর চাহিদার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তৃণমূলের পরীক্ষিত নেত্রী রুনা গাজী। দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার বার্তা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় এখন তিনি শীর্ষে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথের সম্মুখ সারিতে দেখা গেছে তাঁকে। ছাত্ররাজনীতি দিয়ে শুরু, এরপর যখন যে দায়িত্ব পেয়েছেন, নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। দলীয় পরিচয়ের বাইরেও শিক্ষিত, মার্জিত ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় তাঁর রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। আর এ কারণেই সাধারণ মানুষ আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁকেই নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাইছেন।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুনা গাজীর রাজনৈতিক পথচলা মোটেও মসৃণ ছিল না। আদর্শের প্রশ্নে বরাবরই আপসহীন থাকায় নানা সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। একাধিক মামলার আসামি হয়েও তিনি লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় ইতিমধ্যে বেকসুর খালাস পেয়েছেন, বাকিগুলো এখনো বিচারাধীন। এত হামলা-মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েও নিজের নীতি থেকে একচুলও সরে না দাঁড়ানোয় সাধারণ মানুষের মনে তাঁর প্রতি গভীর আস্থার জন্ম নিয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপজেলা নির্বাচনে রুনা গাজীর মতো একজন শিক্ষিত, ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জনপ্রতিনিধি পাওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ভোটারদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সমর্থনই আগামী নির্বাচনে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সব বাধা পেরিয়ে আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন এই জননেত্রী।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা