
ছাম্মি আহমেদ আজমীর:জনসেবার প্রতি নিষ্ঠা,দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ৩ নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিলন চন্দ্র ঘোষ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে জেলার শ্রেষ্ঠ ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার মূল্যায়নে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো:আমিনুল ইসলাম,স্থানীয় সরকার বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক গণপতি রায়, সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা:নুরুল আমীন।
এসময় মিলন চন্দ্র ঘোষ বলেন, এ অর্জন আমার একার নয় এটি আমার কর্মস্থলের সহকর্মী,ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই এবং যাঁরা আমাকে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিক জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা। তাই মানুষের সঠিক তথ্য নিবন্ধন,সেবাপ্রত্যাশীদের সহযোগিতা এবং নির্ধারিত সময়ে সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে চাই। জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা,সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে জনগণের আস্থা অর্জন এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে অবদান রাখতে চাই। আমার এই পথচলায় যাঁরা সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন তাঁদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
উল্লেখ্য,সম্মাননা স্মারকটি তাঁর কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের মৌলিক পরিচয় ও অধিকার নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ কার্যক্রমে নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণ, সময়মতো সেবা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে একজন দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিলন চন্দ্র ঘোষের এ অর্জন প্রমাণ করে আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করলে সরকারি সেবার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা