রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটির লঞ্চ মালিক সমিতি অব্যবস্থাপনায় চলছে । মানছে না কোন নিয়ম নীতি, পড়তে পারে যে কোন সময় বড় কোন দুর্ঘটনা।প্রতিনিয়তই রাঙ্গামাটি টু বরকল হরিনা ২.০০ টার বিরতিহীন লঞ্চে মালামাল পরিবহনের নিয়ম না থাকলেও অতিরিক্ত টাকার আশায় যাত্রীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে ধারন ক্ষমতার অধিক পরিবহন করছে মালামাল।
বিষয়টি নিয়ে বারবার সাধারণ যাত্রীরা গণমাধ্যম, মিডিয়া, বরকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ লঞ্চ মালিক সমিতিকে অবহিত করলে নিচ্ছে না কোন ধরনের পদক্ষেপ।
আজ শনিবার রাঙ্গামাটি থেকে ছেড়ে আসা এম এল ইসলাম লঞ্চটি ধারণ ক্ষমতার অধিকার যাত্রী এবং মালামাল নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাত হয়ে শুভলং সেনাবাহিনীর চেকপোষ্টে ভিরতে গিয়ে এম এল হাসান নামক হরিনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চে পল্টনে থাকা অবস্থায় পিছন দিক দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজরে ধাক্কা মারে।ক্ষতিগ্রস্ত হয় এম এল হাসান, এতে অল্পের জন্য প্রায় দুই শতাধিক শিশু, বয়স্ক, নারীসহ যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে যায়। বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় দুটি লঞ্চে থাকা প্রায় ৩ শতাধিক যাত্রী । এ সময় লঞ্চে থাকা বরকল ছাত্র ও যুব সংগ্রামী পরিষদের আহ্বায়ক ইমরান হোসেন সেনা ডিউটি অফিসার কে বিষয়টি অবহিত করলে,তিনি নোট নেন এবং ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন।
অন্য যাত্রী মোশারফ হোসেন বলেন,
“আজকের সংঘর্ষের ঘটনায় অল্পের জন্য অনেক প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। প্রশাসন কি এসব দেখে না? লঞ্চগুলো কোনো নিয়মই কানুন মানছেনা না।
হরিনা থেকে ছেড়ে আসা এম এল হাসান লঞ্চের যাত্রী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন,
“বিরতিহীন লঞ্চের নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, অথচ তারা যাত্রীর পাশাপাশি মাত্রা অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন করে, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে।এবং ইঞ্জিনের ফুয়েল বাঁচানোর জন্য ধীর গতিতে লঞ্চ চালায় এতে বিলম্বোর পাশাপাশি অতিষ্ঠ হয়ে যায় যাত্রী । রাঙ্গামাটি থেকে ২টার লঞ্চ সন্ধ্যা ৫ টায় হরিনা পৌঁছানোর কথা থাকলেও রাত ৮ টায় পৌঁছিয়ে দেয়। ফলে বিপাকে পড়ে যায় যাত্রী সাধারণ।
এর আগেও গত বছর এমএল তানিয়া নামক লঞ্চে অতি দ্রুতযাত্রী ও মালামাল পরিবহন করার কারণে বরকলে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
ChatGPT said:
তোমার লেখাটির বিষয়বস্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবভিত্তিক — জননিরাপত্তা, নিয়ম ভঙ্গ ও প্রশাসনিক উদাসীনতা তুলে ধরেছে। নিচে আমি এটি সংবাদ প্রতিবেদন বা প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে সম্পাদনা করে সাজানোভাবে দিচ্ছি, যাতে এটি মিডিয়াতে প্রকাশের উপযোগী হয়
রাঙ্গামাটি টু বরকল নৌরুটে লঞ্চ মালিক সমিতির অব্যবস্থাপনা: বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:
রাঙ্গামাটি–বরকল নৌরুটে দীর্ঘদিন ধরে চলছে লঞ্চ মালিক সমিতির অব্যবস্থাপনা। কোনো নিয়মনীতি মানছে না তারা। অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, আর এতে যাত্রীদের জীবন পড়েছে চরম ঝুঁকির মুখে।
প্রতিদিন দুপুর ২টার “বিরতিহীন লঞ্চ সার্ভিসে” মালামাল পরিবহনের অনুমতি না থাকলেও অতিরিক্ত টাকার লোভে অনেক লঞ্চ যাত্রীসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল বহন করছে। যাত্রীরা বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে এবং বরকল উপজেলা প্রশাসন ও লঞ্চ মালিক সমিতিকে অবহিত করলেও নেয়া হয়নি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ।
আজ শনিবার রাঙ্গামাটি থেকে ছেড়ে আসা এম.এল ইসলাম নামের লঞ্চটি ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল নিয়ে যাত্রা করে। শুভলং সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে পৌঁছালে লঞ্চটি ভারসাম্য হারিয়ে কাত হয়ে পড়ে এবং তখন এম.এল হাসান নামের অপর একটি লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দুই লঞ্চের প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত বছর এম.এল তানিয়া নামের লঞ্চটি অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে বরকল এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল। তবুও প্রশাসনের তদারকির অভাব ও লঞ্চ মালিক সমিতির উদাসীনতায় একই ধরণের ঝুঁকি আজও অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ রবিউল হাসান
অনলাইন ইনচার্জঃ কবির মাহমুদ
অফিসঃ ফায়েনাজ টাওয়ার, ৮/এ,কালভার্ট রোড,পুরানা পল্টন, ঢাকা