1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. bob_44335a31b693@bobresearchlabs.com : bob_44335a31b693 :
  3. paul54@gmail.com : pauldavis :
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wp_admin_7eac00@local.host : wp_admin_7eac00 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঝিকরগাছায় এসএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের কমিটি গঠন তরিকুল সভাপতি, ভুট্টো সম্পাদক এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা:রাশেদ খান সাতক্ষীরায় মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার মগবাজারে সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিয়ের মাস না পেরুতেই ড্রাইভারের সাথে পালালেন বিএনপি নেতার স্ত্রী সেন্টমার্টিনে শিক্ষায় ধস,স্বাস্থ্যসেবায় হাহাকার আজ শামসুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ফেরত আসছে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ২০ লাখ বই,নেপথ্যে দাঁড়িপাল্লার ছবি জন্মদিনে গাড়িবহর নিয়ে বেরিয়ে হামলার শিকার নেতানিয়াহু চন্দ্রকণা চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত,তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসার আহবান মির্জা মোস্তফা জামানের নিরাপত্তার সংকটে সাজেক, শঙ্কিত পর্যটক, উত্তপ্ত সমতল এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশ, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিসরা আজ বিশ্ব চিকা দিবস, বিজ্ঞানপ্রেমীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হাসপাতালে এলজিআরডি মন্ত্রীকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি বোমা হামলার হুমকিতে দিল্লির একাধিক স্কুল রাণীনগরে রাইডোর দুই বছর পূর্তি ও উন্মুক্ত দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.) দাম কমায় ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা এইচএসসির ফল প্রকাশের ভুয়া বিজ্ঞপ্তি
শিরোনাম:
ঝিকরগাছায় এসএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের কমিটি গঠন তরিকুল সভাপতি, ভুট্টো সম্পাদক এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা:রাশেদ খান সাতক্ষীরায় মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার মগবাজারে সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিয়ের মাস না পেরুতেই ড্রাইভারের সাথে পালালেন বিএনপি নেতার স্ত্রী সেন্টমার্টিনে শিক্ষায় ধস,স্বাস্থ্যসেবায় হাহাকার আজ শামসুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ফেরত আসছে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ২০ লাখ বই,নেপথ্যে দাঁড়িপাল্লার ছবি জন্মদিনে গাড়িবহর নিয়ে বেরিয়ে হামলার শিকার নেতানিয়াহু চন্দ্রকণা চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত,তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসার আহবান মির্জা মোস্তফা জামানের

সেন্টমার্টিনে শিক্ষায় ধস,স্বাস্থ্যসেবায় হাহাকার

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে স্থবিরতা, শিক্ষকসংকট ও দারিদ্র্যের চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের শিক্ষাব্যবস্থা। বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী প্রায় ৪ হাজার শিশুর মধ্যে নিয়মিত পড়াশোনা করছে মাত্র ৭২৯ জন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকদের দাবি, গত দুই বছরে দ্বীপে শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর অভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবাও। এতে দ্বীপের শিশুদের ভবিষ্যৎ এবং বাসিন্দাদের মৌলিক সেবা পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

নীল জলরাশি আর প্রবালপাথরের সৌন্দর্যে ঘেরা সেন্টমার্টিনের শিশুদের একাংশের দিন কাটছে বিদ্যালয়ের বদলে দোকান, বাজার ও সৈকতে। কেউ মাছ ধরছে, কেউ পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের ব্যাগ বহন করে, আবার কেউ ডাব বিক্রি কিংবা পর্যটকদের গাইড করার কাজে যুক্ত হচ্ছে। পরিবারের আর্থিক সংকট সামাল দিতে অনেক শিশুই পড়াশোনার বদলে আয়ের পথ বেছে নিচ্ছে। ফলে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বিপুলসংখ্যক শিশু।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বীপে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি কওমি মাদ্রাসা রয়েছে। কিন্তু শিক্ষকসংকট, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং পর্যটননির্ভর জীবিকার কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিক্ষা কার্যক্রম তদারকির সীমাবদ্ধতা।

সেন্টমার্টিনের জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালে। বিদ্যালয়টিতে সাতটি শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচটি পদ প্রায় ১৪ বছর ধরে শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিনের এই শিক্ষকসংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক আবদুল হামিদ বলেন, ২০২২ সালের দিকে বিদ্যালয়ে ছোট শিশুদের উপস্থিতি ও স্কুলমুখী হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে সেই চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ছোট শিশুদের স্কুলমুখী হওয়ার হার প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে।

দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাও নাজুক। ১৫৫ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র একজন। এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর পাঠদান একজন শিক্ষককে সামলাতে হচ্ছে।

দ্বীপের আরেকটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্রিটিস স্কুলেও সংকট প্রকট। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষকদের বেতন বন্ধ রয়েছে। মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে দুই পালার পাঠদান। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী রয়েছে ৬৬ জন।

শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে। শিক্ষকদের ভাষ্য, পর্যটন মৌসুমে শিশুদের অনেকে ব্যাগ বহন, ডাব বিক্রি, গাইডের কাজ ও মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত হয়। এসব কাজে এক দিনে প্রায় ৫০০ টাকা আয় করা সম্ভব। কিন্তু শিক্ষার্থীরা মাসে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা উপবৃত্তি পায়। ফলে পরিবারের আর্থিক চাপে অনেক শিশুর কাছে বিদ্যালয়ের চেয়ে উপার্জন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ ছাড়া বছরের দীর্ঘ সময় নৌপথে যোগাযোগব্যবস্থা প্রতিকূল থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকি করাও কঠিন।

দ্বীপের একমাত্র উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেন্টমার্টিন বিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটিতে ৩০৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ১৩ জন। তবে তাদের মধ্যে বেতন পান মাত্র দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলও উদ্বেগজনক। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৪৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ১৩ জন। গত বছর একইসংখ্যক পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছিল ১৮ জন।

প্রতিষ্ঠানটির সহকারী শিক্ষক কাজী দিদারুল আলম বলেন, সেন্টমার্টিনের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা পর্যটননির্ভর। পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দ্বীপের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বেতন পরিশোধ করতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে আমরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি, যাতে আর্থিক সংকটের কারণে তাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে না যায়। এরপরও নানা প্রতিকূলতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে।

শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে দ্বীপের বাইরে গিয়ে কোচিং করার সুযোগও হারাচ্ছে। এতে পরীক্ষার প্রস্তুতি ও ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, সেন্টমার্টিনের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার দুই থেকে তিন মাস আগে দ্বীপের বাইরে গিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোচিং করার সুযোগ পেত। কিন্তু গত এক-দুই বছর ধরে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে পরীক্ষার ফলাফলে। সেন্টমার্টিন উচ্চবিদ্যালয়ে ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১২ থেকে ১৩ জন পাস করছে। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে না পারায় ফলাফলের এমন অবনতি।

শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীপের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকলেও সেগুলো পরিচালনা এবং নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নেই বলে অভিযোগ তাদের। ফলে জটিল রোগের চিকিৎসা পেতে দ্বীপবাসীকে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সেন্টমার্টিন ইসলামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন এগিয়ে চললেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। দ্বীপের শিক্ষাব্যবস্থায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাশাপাশি এখানকার স্বাস্থ্যসেবার অবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। দ্বীপে হাসপাতাল থাকলেও সেখানে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও উন্নত চিকিৎসাসেবার অভাব রয়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পেতে দ্বীপবাসীকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, দ্বীপের চিকিৎসাব্যবস্থার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান নেই। ফলে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দ্বীপের মানুষ। এ অবস্থায় আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাই, সেন্টমার্টিনের হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হোক।

এদিকে শিক্ষকসংকটের বিষয়টি স্বীকার করে টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, সেন্টমার্টিনের জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকট রয়েছে। সামনে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিদ্যালয়টিতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জন্য অনুরোধ জানানো হবে। এ বিষয়ে আগেও কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষকসংকট দূর হবে। এতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং ঝরে পড়ার হারও কমে আসবে।

সেন্টমার্টিনের অর্থনীতি ও জীবিকার বড় অংশ পর্যটননির্ভর। কিন্তু সেই অর্থনীতিতে স্থবিরতা দেখা দিলে তার চাপ পড়ছে শিশুদের শিক্ষাজীবনে। শিক্ষকসংকট, দারিদ্র্য ও দুর্বল স্বাস্থ্যসেবার এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কার্যকর উদ্যোগ চান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং হাসপাতালের জনবলসংকট নিরসনের মাধ্যমে দ্বীপের শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews