1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. bob_44335a31b693@bobresearchlabs.com : bob_44335a31b693 :
  3. paul54@gmail.com : pauldavis :
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wp_admin_7eac00@local.host : wp_admin_7eac00 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আদালতের রায়ে মেয়র, এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাহাদাত হোসেন রাণীনগরে চুরি করে যাবার সময় গৃহবধুকে মারধর করলো চোরেরা রাণীনগরে চুরির মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ লক্ষ্মীপূজা আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: জামায়াতের আমির ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন ঘোলপাশায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের পক্ষে গ্রামভিত্তিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে :মোংলায় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু নবীগঞ্জ থানা লকাপে ছাএলীগ নেতার ভিডিও ধারণ সহযোগী গ্রেফতার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ নাটুয়ারপাড়া হাটে এসে জনৈক বৃদ্ধের মৃত্যু হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ডিএমপির অভিযানে আরও ৬৮৪ গ্রেপ্তার মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার সরকারকে বিব্রত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন গোলাম পরওয়ার: রিজভী ফুটপাত দখল করে দোকান বসালেই মামলা : ডিএসসিসি প্রশাসক ঝিকরগাছায় এসএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের কমিটি গঠন তরিকুল সভাপতি, ভুট্টো সম্পাদক এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা:রাশেদ খান
শিরোনাম:
আদালতের রায়ে মেয়র, এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাহাদাত হোসেন রাণীনগরে চুরি করে যাবার সময় গৃহবধুকে মারধর করলো চোরেরা রাণীনগরে চুরির মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ লক্ষ্মীপূজা আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: জামায়াতের আমির ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন ঘোলপাশায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের পক্ষে গ্রামভিত্তিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে :মোংলায় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু

ঐতিহ্যের ডাক পৌষ সংক্রান্তিতে: দেবিদ্বারে পোনরা মেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

 

আমজাদ হোসেন,কুমিল্লা জেলা (উত্তর) প্রতিনিধি :পৌষ মাসের শেষ প্রান্তে এলেই গ্রামবাংলার বাতাসে ভেসে আসে এক ভিন্ন রকমের উৎসবের ডাক। শীতের কনকনে হাওয়ার সঙ্গে মিশে যায় আনন্দ, আবেগ আর ঐতিহ্যের ছোঁয়া। ঠিক এমনই এক শতবর্ষী লোকজ ঐতিহ্যের নাম দেবিদ্বারের পোনরা মেলা—যা স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু একটি মেলা নয়, বরং স্মৃতি, সংস্কৃতি আর গ্রামবাংলার প্রাণের উৎসব।

প্রতি বছর পৌষ সংক্রান্তি তিথিতে, যা বাংলায় সাকরাইন বা মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত, কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার পোনরা এলাকায় বসে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা। শীতের শেষ আর নতুন সময়ের আগমনের বার্তা নিয়ে এই মেলা যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এর নির্দিষ্ট কোনো শুরুর সাল না থাকলেও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী এটি একটি শতবর্ষী ঐতিহ্য, যা দেবিদ্বারের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
পৌষ মানেই শীত, আর শীত মানেই উৎসব—এটাই গ্রামবাংলার চিরচেনা বাস্তবতা। পৌষ সংক্রান্তিকে ঘিরে একসময় গ্রামজুড়ে চলত হরিনাম সংকীর্তন, মিলাদ মাহফিল, পিঠাপুলির আয়োজন আর নানা ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান। পোনরা মেলাকে কেন্দ্র করে দূর-দূরান্ত থেকে আসতেন ব্যবসায়ী, কারিগর আর দর্শনার্থীরা। মাটির খেলনা, কাঠের সামগ্রী, হাতের তৈরি পণ্য আর নানা রকম লোকজ খাবারে জমে উঠত মেলার মাঠ।
শীতের সকালগুলোতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা গ্রাম, উঠানে রোদ পোহাতে বসা বয়স্ক মানুষ, নাতি-নাতনিকে কোলে নিয়ে সূর্যের অপেক্ষা—এসব দৃশ্য যেন পোনরা মেলার আবহের সঙ্গেই মিশে আছে। বিকেলের দিকে ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে শুরু হতো উৎসবের আমেজ। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে।
ডিজিটাল যুগে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার বহু লোকজ আয়োজন। একসময় ঘরে ঘরে তৈরি হতো ভাপা, পুলি, চিতই, পাটিসাপটা—আজ সেগুলো সহজেই পাওয়া যায় দোকানে। নতুন জামাই এলেও আর পিঠা বানানোর সেই ব্যস্ততা চোখে পড়ে না। ফলে পৌষ সংক্রান্তি কিংবা পোনরা মেলার মতো উৎসবগুলো আগের মতো জাঁকজমক হারাতে বসেছে।
এদিকে শীত মানেই গ্রামবাংলায় দুই রকম বাস্তবতা। কেউ উষ্ণ কাপড়ে আরামে দিন কাটান, আবার কেউ—বিশেষ করে গরিব ও ছিন্নমূল মানুষ—একটুকরো গরম কাপড়ের আশায় রাত কাটান বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন কিংবা রাস্তার পাশে। শীত সবার জন্যই আসে, আবার সবার জীবনেই ভিন্ন ভিন্ন গল্প রেখে চলে যায়।
স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা মনে করছেন, গ্রামবাংলার এই প্রাণের উৎসবগুলো যথাযথ উদ্যোগ না নিলে একদিন শুধু স্মৃতির পাতায়ই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি তুলে ধরতে এখনই প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সংরক্ষণ।
তবু সব প্রতিকূলতার মাঝেও দেবিদ্বারের পোনরা মেলা আজও সাক্ষ্য দেয়—গ্রামবাংলার শিকড় এখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। শীতের হিমেল হাওয়ায়, পৌষ সংক্রান্তির দিনে, এই মেলা এখনও মানুষের মনে ফিরিয়ে আনে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যের উষ্ণ স্মৃতি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews