
ছাম্মি আহমেদ আজমীরঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি-এর আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা,জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের সয়দাবাদ মৌজায় প্রায় ৭৮ শতাংশ পরিত্যক্ত মাঠের জমিতে গড়ে তোলা ‘যমুনা নিসর্গ প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের সবুজ প্রাঙ্গণ’-এর শুভ উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো:আমিনুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো:আমিনুল ইসলাম বলেন,সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।দীর্ঘদিন অব্যবহৃত একটি মাঠকে বিরল ও দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষের সমাহারে সবুজ প্রাঙ্গণে রূপান্তরের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ও পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলবে।দেশের সবুজায়ন নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মামুন খান,সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ-হেল-মাফি সহ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ‘যমুনা নিসর্গ’ প্রাঙ্গণে বিরল ও দেশীয় প্রজাতির ২৫০টি বৃক্ষ রোপণ করা হয়। একই দিনে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের যমুনা নদীসংলগ্ন এলাকায় আরও ৫০০টি দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ রোপণ করা হয়। সব মিলিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ৭৫০টি বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে সবুজায়নের এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।দীর্ঘদিন অব্যবহৃত জমিকে সবুজ প্রাঙ্গণে রূপান্তর এবং দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ রোপণের এ উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Leave a Reply