1. admin@dainikjamunaexpress.com : admin :
  2. bob_44335a31b693@bobresearchlabs.com : bob_44335a31b693 :
  3. paul54@gmail.com : pauldavis :
  4. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  5. wp_admin_7eac00@local.host : wp_admin_7eac00 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আজ লক্ষ্মীপূজা আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: জামায়াতের আমির ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন ঘোলপাশায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের পক্ষে গ্রামভিত্তিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে :মোংলায় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু নবীগঞ্জ থানা লকাপে ছাএলীগ নেতার ভিডিও ধারণ সহযোগী গ্রেফতার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ নাটুয়ারপাড়া হাটে এসে জনৈক বৃদ্ধের মৃত্যু হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ডিএমপির অভিযানে আরও ৬৮৪ গ্রেপ্তার মাদরাসায় বলাৎকার, কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার সরকারকে বিব্রত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন গোলাম পরওয়ার: রিজভী ফুটপাত দখল করে দোকান বসালেই মামলা : ডিএসসিসি প্রশাসক ঝিকরগাছায় এসএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের কমিটি গঠন তরিকুল সভাপতি, ভুট্টো সম্পাদক এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা:রাশেদ খান সাতক্ষীরায় মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার মগবাজারে সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিয়ের মাস না পেরুতেই ড্রাইভারের সাথে পালালেন বিএনপি নেতার স্ত্রী সেন্টমার্টিনে শিক্ষায় ধস,স্বাস্থ্যসেবায় হাহাকার আজ শামসুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন
শিরোনাম:
আজ লক্ষ্মীপূজা আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে: জামায়াতের আমির ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সেন্টমার্টিন ঘোলপাশায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের পক্ষে গ্রামভিত্তিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে :মোংলায় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু নবীগঞ্জ থানা লকাপে ছাএলীগ নেতার ভিডিও ধারণ সহযোগী গ্রেফতার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ নাটুয়ারপাড়া হাটে এসে জনৈক বৃদ্ধের মৃত্যু হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ডিএমপির অভিযানে আরও ৬৮৪ গ্রেপ্তার

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ মার্চ দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। একইভাবে এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। মূলত বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের আহ্বানেই মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে বাঙালি।

একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

সেদিন বঙ্গবন্ধু মঞ্চে ওঠেন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে। ফাগুনের সূর্য তখনও মাথার ওপর। মঞ্চে আসার পর তিনি জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। তিনি দরাজ গলায় তাঁর ভাষণ শুরু করেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ-ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি…।’ এরপর জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাংলা ও বাঙালির স্বাধীনতার মহাকাব্যের কবি ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম…, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণ। এই স্বল্প সময়ে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসই তুলে ধরেন। তিনি তাঁর ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, গোলাগুলি ও হত্যা বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘ভাইয়েরা আমার, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, মানুষের অধিকার চাই। প্রধানমন্ত্রীত্বের লোভ দেখিয়ে আমাকে নিতে পারেনি। ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে দিতে পারেনি। আপনারা রক্ত দিয়ে আমাকে ষড়যন্ত্র-মামলা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। সেদিন এই রেসকোর্সে আমি বলেছিলাম, রক্তের ঋণ আমি রক্ত দিয়ে শোধ করব। আজও আমি রক্ত দিয়েই রক্তের ঋণ শোধ করতে প্রস্তুত।’

শেখ মুজিব বলেন, ‘আমি বলে দিতে চাই—আজ থেকে কোর্ট-কাচারি, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। কোন কর্মচারী অফিসে যাবেন না। এ আমার নির্দেশ।’

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সর্বশেষ দুটি বাক্য, যা পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিক-নির্দেশনা ও প্রেরণার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’

পরে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকবাহিনীর নৃশংস গণহত্যার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
এই নিউজ পোর্টালের কোন ছবি বা তথ্য বিনা অনুমতিতে হস্তান্তর নিষেধ। সর্বস্বত্ত্ব www.jamunaexpress.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews