
রাসেল হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা-গাউছিয়া এলাকার সড়কের দুই পাশের ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করেন।
গত ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে উচ্ছেদের ২ ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় আবার ফুটপাত দখল হয়ে যায়।অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত দখল আর উচ্ছেদ নিয়ে চলছে ভানুমতির খেইল। এই খেলা চলছে হরদম। এ খেলার শেষ কবে হবে জানতে চায় স্থানীয় জনগণ। ফুটপাত দখলের কারণে প্রতিনিয়তই রূপগঞ্জে ঘটছে দুর্ঘটনা। অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় দৈনিকে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। দখলদারদের খুটির জোর কোথায়, স্থানীয় প্রশাসনকেও তারা তোয়াক্কা করছে না। সকালে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও আবার অদৃশ্য শক্তি বলয়ের মাধ্যমে বিকালে বা রাতে তা ফের দখল করে নিচ্ছে দখলদাররা।
রূপগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা-গাউছিয়ায় ফুটপাত দুপুরে উচ্ছেদের পর সন্ধ্যায়ই দখল হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, দখল হলে ফের উচ্ছেদ করা হবে।
ইউএনও সাইফুল ইসলাম বলেন, ভুলতা-গাউছিয়া এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট বসিয়ে যানজটসহ জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করছিল। এর আগে আমাদের পক্ষ থেকে সতর্কতা মূলকভাবে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে মাইকিং করা হয়েছিল। ওই দিন ফুটপাতে অবৈধভাবে দখলে থাকা সব স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলাম। পূর্বের সময় ৪টা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা এবং গাউছিয়া এলাকার অবৈধ ফুটপাত ও স্থাপনা ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফুটপাতের কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন, প্রভাবশালীদের তদবিরে ফুটপাতে নিয়মিত চাঁদা তোলা হয়। এর ভাগ যায় বিভিন্ন মহলে। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। ১ আগস্ট থেকে এক মাস পর্যন্ত এখানে একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও ৫০ জনের টিম কাজ করবে। এখন থেকে আর কাউকে মহাসড়ক দখল করে ফুটপাত ও স্থাপনা করার সুযোগ দেয়া হবে না। দুঃখের বিষয় ১ আগস্ট সকালে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা ভলান্টিয়ার কাউকেই রাস্তায় দেখা যায়নি।
Leave a Reply