
রিয়াদ আহাম্মেদ, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের শ্রীবরদীতে ছাত্রজনতার গণ অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পথসভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৫ আগষ্ট) বিকেলে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে শহরের মধ্যবাজার এলাকায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. আজহারুল ইসলাম মিষ্টারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মাওলানা মো. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-৩(শ্রীবরদী – ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী আলহাজ্ব মো. নুরুজ্জামান বাদল।
উক্ত সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সাবেক আমীর ডা. আব্দুল মমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. নুরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোখলেছুর রহমান, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, রাজধানী ঢাকার কলাবাগান থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক সহ উপজেলা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. নুরুজ্জামান বাদল বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দেশে চাঁদাবাজি হয়েছে। এখনতো ফ্যাসিস্ট সরকার নেই, এখন চাঁদাবাজি কারা করছে? আবারো বীরযোদ্বা ও সহযোগীরা সহ আমরা যখন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা শুরু করলাম, তখন তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো আমাদেরকে রাজাকার বলে গালি দেয়া শুরু করলো।”
তিনি আরও বলেন, “৯১সালে রাজাকার ছিলাম না, ২০০৪ সালে রাজাকার ছিলাম না? সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, আর না থাকলেই জঙ্গি। এই থিওরি বাদ দেন।”
আলোচনা সভা শেষে একটি গণমিছিল বের হয় এবং গণমিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Leave a Reply