ভোগান্তির শিকার ও স্হানীয় কৃষক আশরাফুল ইসলাম বলেন,”এই পর্যন্ত প্রায় ১০টি চুরি হওয়া মটর উদ্ধার হয়েছে।চোর শনাক্ত হয়েছে,মুরব্বিদের সামনে দোষ স্বীকার করেছে কিন্তু বিচার হচ্ছে না”।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনসুর নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক রাজমহর বলেন, “চোর চক্রের অভিভাবকরা আমার কাছে এসেছে দোষ স্বীকার করেছে। তাদের অভিভাবকরা বলছে চোর চক্রের সদস্যরা এলাকায় না থাকায় তাদের হাজির করতে দেরী হচ্ছে”।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল দত্ত জানান,” আমি সাক্ষীর কাজে টাঙ্গাইল গিয়েছিলাম,থানায় অভিযোগ হয়েছে কিনা জানি না,অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।
এদিকে কোন প্রতিকার না পেয়ে চুরি আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে সাধারণ কৃষক,সারাদিন হাঁড়ভাঙা খাঁটুনি শেষে সেচ পাম্প চুরি আটকাতে পালাবদল করে রাতের পর রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে কৃষক।সাধারণ মানুষের চাওয়া অচিরেই মিলবে সমাধান। আবারও নিশ্চিতে ঘুমাতে পারবে কৃষক।
Leave a Reply