
মাসুদ রানা,বেলকুচি প্রতিনিধিঃ একদিন আগে ৯৯৯-এ ফোন, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি এবং দুই পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ—এর পরের দিনই আবার বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ। এবার হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মোঃ আঃ মমিন। অভিযোগ উঠেছে, অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুরের পর তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বাধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন তার স্ত্রী, মা ও ভাইও। এমনকি স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দেলুয়া মধ্যপাড়ার।
এ ঘটনায় মমিনের ভাই মোঃ আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে বেলকুচি থানায় এজাহার দিয়েছেন। এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে অভিযুক্তরা লোহার রড, দা, শাবল, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটামসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন।
এরপর শুরু হয় হামলা ও ভাঙচুর। মমিন বাধা দিতে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তা ঠেকাতে গিয়ে তার বাম হাত গুরুতরভাবে কেটে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
আহত মমিনকে প্রথমে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি এখানেই—একদিন আগে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার পরও পরদিন সন্ধ্যায় কীভাবে একই বিরোধ নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিল?
এই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
তবে এজাহারে করা অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষ; অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং পুলিশের তদন্তের ফল পাওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিশ্চিত হবে।
Leave a Reply